1. tarekahmed884@gmail.com : AdminLWTarek :
বিছনাকান্দি সিলেটের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও ভ্রমণ গাইড । - Learn With Tarek
বিছনাকান্দি সিলেটের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও ভ্রমণ গাইড ।
বিছনাকান্দি সিলেটের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও ভ্রমণ গাইড ।
মানুষের জিবনে বিভিন্ন ধরনের শখ থাকে এর মধ্যে ভ্রমন করা ও একধরনের শখ। ভ্রমনের মাধ্যমে মানুষ অনেক কিছু জানতে পারে দেখতে পারে এবং নিজেকে উপলব্ধি করতে পারে। সিলেটের মধ্যে ভ্রমণের জন্য উল্লেখযোগ্য পর্যটন কেন্দ্র হলো বিছনাকান্দি।

কোথায় অবস্হিত –

এটি সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার ১ নং রুস্তমপুর ইউনিয়নে অবস্তিত। বাংলাদেশের ভারত সিমান্তের সেখানকার একটি গ্রামের নাম বিছনাকান্দি।

প্রাকৃতিক সৌন্দর্য –

বিছনাকান্দি মূলত একটি পাথর কোয়েরী জায়গা। বিছনাকান্দির ছোট বড় বিভিন্ন ধরনের পাথর এই জায়গাটির সৌন্দর্য/যৌবন ধরে রেখেছে। বাংলাদেশ ও ভারত সিমান্তে রয়েছে দুই পাহাড়। এই দুই পাহাড়ের মাঝখানে রয়েছে ভারত মেঘালয়ের বিশাল এবং সুউচ্চ একটি ঝর্ণা। প্রকৃতির এবং পর্যটকদের মধ্যে রয়েছে ভালোবাসার টান। প্রকৃতি পর্যটকদের হাত ছানি দিয়ে ডাকে আর সেই টানে পর্যটকরা ছুটে যায় সেই মনোরম পরিবেশে। বিছনাকান্দির মূল আকর্ষণ হলো পাথরের উপর আর এই পাথরের উপর দিয়ে বয়ে চলা স্বচ্চ পানি এবং পাহাড়ের উপর মেঘের উড়াউড়ি। তাছাড়া ও পাহাড়ের বুক বেয়ে ছুটে চলা পানির শব্দ এযেন এক প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি। পাহাড়,নদী, ঝর্ণা এইগুলো যেন পর্যটন কেন্দ্রটির সৌন্দর্য আর ও বাড়িয়ে তুলেছে।

যাতায়াত ব্যবস্থা –

সিলেট থেকে বিছানাকান্দি যেতে হলে, সিলেট সদর থেকে প্রথমে আপনাকে হাদারপার বাজার যেতে হবে। হাদারপার বাজার থেকে লঞ্চ কিংবা নৌকার মাধ্যমে সরাসরি আপনি বিছানাকান্দির জিরো পয়েন্টে যেতে পারবেন।।।

বিছনাকান্দি ভ্রমনের উপযুক্ত সময় –

বিছনাকান্দির আসল সৌন্দর্য উপলব্ধি করতে হলে যাওয়ার উপযুক্ত সময় হলো বর্ষাকাল।।
কেননা শুকনো মৌসুমে এর সৌন্দর্য এতটা দেখা যায় না।।
যেরকম দেখা যায় বর্ষাকালে।
এই সময়টিতে পানি প্রবাহ বেশি থাকার কারনে জায়গাটির আসল রুপ দেখা যায়।।
নৌকা নিয়ে এই সময়টিতে ঘোরানোর মজাই আলাদা।।
যা আপনি নিজ চোখে না দেখলে বিশ্বাস করতে পারবেন না।
প্রত্যেক মানুষ যেমন তার নিজ নিজ কাজকর্মের জন্য সবার মধ্যে পরিচিত ঠিক তেমনি বিছনাকান্দি তার সৌন্দর্যের জন্য বিখ্যাত।।।

কোথায় থাকবেন –

ভ্রমনে যাওয়ার পর আপনি সেখানে থাকার জন্য সিলেট শহরকে বেঁচে নিতে পারেন।
সেখানে অনেক ছোট বড় রেস্টুরেন্ট রয়েছে।
যেমন-হোটেল হিল টাউন, দরগা গেইট ইত্যাদি।
আর নাহলে দিনে দিনে ঘুরে আসতে পারেন বিছনাকান্দি।

খাবার ব্যবস্তা-

বিছনাকান্দি ভ্রমনে গেলে প্রথমত সঙ্গে করে পছন্দের খাবার বানিয়ে/কিনে নিয়ে যেতে পারেন।।। অনেকে গোসল ও করে এর জন্যে প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র সঙ্গে নিতে হয়।। আর তা নাহলে খাবারের জন্য রয়েছে বিছনাকান্দিতে ভাসমান হোটেল। যেখানে বিভিন্ন ধরনের খাবার পাওয়া যায়।।।।

সতর্কতা-

১. পানিতে নামতে হলে আগে থেকে সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।
২. প্রতিবছর পাথর উত্তোলনের ফলে এর গভীরতা বেড়ে গেছে তাই একটু সতর্ক থাকতে হবে।
৩.পানির গতি এত বেশি থাকে যেকোনো সময় প্রানহাণি ঘটতে পারে।
৪.পানির নিচে/উপরে পাথর থাকার কারনে সাবধানে হাটাচলা করতে হবে।
৫. জায়গাটি সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে সেখানকার স্তানীয়দের সাথে ভাব বিনিময় করুন।।
কন্টেন্ট রাইটারঃ বিলকিস আক্তার